POLICY

মৌলিক বিধান সমুহ :
১. সংস্থা দেয় ও প্রদেয় পদ্ধতিতে অপপৎঁধষ ইধংরং ড়ভ অপপড়ঁহঃরহম হিসাব সংরক্ষণ করবে।
২. সংস্থা দুতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে উড়ঁনষব ঊহঃৎু ঝুংঃবস হিসাব সংরক্ষণ করবে।
৩. ঐতিহাসিক মূল্যরীতি অনুসরে ঐরংঃড়ৎরপধষ ঈড়ংঃ ঈড়হপবঢ়ঃ হিসাব সংরক্ষণ করবে।
৪. আন্তর্জাতিক হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি অপপড়ঁহঃরহম ড়ভ ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ঝঃধহফবৎবফ (অওঝ) যা বাংলাদেশ হিসাবরক্ষণ পদ্ধতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন অপপড়ঁহঃরহম ড়ভ ইধহমষধফবংয ঝঃধহফবৎবফ (অইঝ) অনুসরণ করে সংস্থার হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে।
৫. সংস্থা নগদ পদ্ধতিতে আদান প্রদান হিসাব এবং বকেয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে রেওয়ামিল, আয়-ব্যয় হিসাব ও উদ্বৃত্ত পত্র তৈরী করবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা বা উরংপষড়ংঁৎব দিতে হবে।
৬. সংস্থার বিভিন্ন সম্পত্তির উপর ক্রয় বা হিসাব ভূক্তির তারিখ থেকে সরলরৈখিক পদ্ধতিতে অবচয় ধার্য করতে হবে।
৭. সংস্থা বিতরণকৃত ঋণের উপর ঋণ নীতিমালা অনুসারে সার্ভিস চার্জ ধার্য করবে এবং নিয়মানুসারে মূল ঋণের সাথে আদায় করবে। পিকেএসএফ ও এমআরএ এর বিধিমালার সাথে সঙ্গতি রেখে ষান্মামাসিক ভিত্তিতে ঋণক্ষয় সঞ্চিতি নির্ধারণ করবে।
৮. সদস্য কতৃক জমাকৃত সঞ্চয় এর উপর সংস্থা বৎসরান্তে সময়ে সময়ে নির্ধারিত হারে লভ্যাংশ/সার্ভিসচার্জ প্রদান করবে।
৯. সংস্থার হিসাব বৎসর হবে জুলাই ০১ হতে জুন ৩০ পর্যন্ত।
১০. সংস্থার নিজস্ব কর্মসূচীর ক্ষেত্রে এই নীতিমালা পুরোপুরি অনুসরণ করা হবে এবং দাতা সংস্থার অনুদানে পরিচালিত কর্মসূচীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে দাতা সংস্থা কর্তৃক সরবরাহকৃত নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
১১. সচেতনের কার্যক্রম ইউনিট/শাখা/জোনাল/প্রকল্প অফিস সমুহের মাধ্যমে পরিচালিত হয় বিধায় প্রতিটি অফিসের/প্রকল্পের পৃথক ব্যাংক হিসাব থাকবে। দাতা সংস্থার অনুদানে পরিচালিত স্বাধীন প্রকল্পের ফিল্ড অফিস সংখ্যা যাহাই হোক না কেন বিশেষ নির্দেশ না থাকলে ব্যাংক হিসাব কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে।
১২. সচেতন সততা, উন্মুক্ততা, সচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা; মানবীয় মর্যাদা এবং ব্যক্তি ও গোষ্ঠির অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে প্রতিশ্র“তিবদ্ধ।
১৩. নীতিমালা অনুসরণ এবং বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক কার্যকরী পরিষদের নিকট জবাবদিহি করবেন।
📜 ব্যাংক নীতিমালা

ব্যাংক ব্যবস্থাপনা নীতিমালা

সংস্থা মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসুচীর মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠির দারিদ্র বিমেচন সহ আর্থসামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। হিসাবের স্বচ্ছতা এবং লেনদেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংস্থার প্রধান কার্যালয়সহ সকল শাখা অফিসে সুবিধাজনক ব্যাংকে (বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসীলভূক্ত ব্যাংক) হিসাব খুলে লেনদেন করা হয়। এই ব্যাংক হিসাব সংস্থার অভ্যন্তরীন আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাপনার সহায়ক হিসাব বলে গন্য করা হবে। শাখা পর্যায়ে এই হিসাব হতে অর্থ জমা এবং উত্তোলন করে আর্থিক লেনদেন করতে হবে। এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে এই নীতিমালা প্রনয়ন করা হলো। আশা করি এই নীতিমালা অনুসরনের মাধ্যমে সংস্থার হিসাব ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংক লেনদেন আরো অধিক স্বচ্ছ এবং কার্যকর হবে।সংস্থা মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসুচীর মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠির দারিদ্র বিমেচন সহ আর্থসামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। হিসাবের স্বচ্ছতা এবং লেনদেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সংস্থার প্রধান কার্যালয়সহ সকল শাখা অফিসে সুবিধাজনক ব্যাংকে (বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসীলভূক্ত ব্যাংক) হিসাব খুলে লেনদেন করা হয়। এই ব্যাংক হিসাব সংস্থার অভ্যন্তরীন আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থাপনার সহায়ক হিসাব বলে গন্য করা হবে। শাখা পর্যায়ে এই হিসাব হতে অর্থ জমা এবং উত্তোলন করে আর্থিক লেনদেন করতে হবে। এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে এই নীতিমালা প্রনয়ন করা হলো। আশা করি এই নীতিমালা অনুসরনের মাধ্যমে সংস্থার হিসাব ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংক লেনদেন আরো অধিক স্বচ্ছ এবং কার্যকর হবে।

ক) নীতিমালা কার্যকারিতার তারিখ: এই নীতিমালা অদ্য জানুয়ারী ০১’ ২০১৮ ইং তারিখ হতে    কার্যকর হবে।

খ) নীতিমালার আওতা: সংস্থার  মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসুচীর সকল শাখা পর্যায়ে এই নীতিমালা কার্যকর হবে।

গ) নীতিমালা কার্যকর করার অনুমোদিত ব্যক্তি:  মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসুচীতে কর্মরত দাযিত্ব প্রাপ্ত শাখা ব্যবস্থাপক, শাখা হিসাব কর্মকর্তা, এলাকা ব্যবস্থাপক, প্রধান   কার্যালয়ের হিসাব রক্ষক এবং উপ- পরিচালক।

ঘ) ব্যাংকস্থিতি: সংস্থার ব্যবস্থাপনা ক্যাশ লেনদেন কেবল মাত্র অনুমোদিত ব্যাংক হতে যোগান হবে এবং সংরক্ষিত ব্যাংক হিসাবে খাত/ দফা ওয়ারী জমা এবং খরচের বিল সংরক্ষন করবে। ব্যাংকের স্থিতি কখনই ৫,০০,০০০/= (পাঁচ লক্ষ) টাকার  বেশী হবে না। মাস শেষে ব্যাংক স্থিতি ৫,০০,০০০/= (পাঁচ লক্ষ) টাকার  অতিরিক্ত হলে ডি,ডি/পে-অর্ডারের মাধ্যমে প্রধান কার্যালয়ের প্রধান ব্যাংক হিসাবে পাঠাতে হবে। ঃ মাস শেষে ব্যাংক স্থিতির ক্ষেত্রে লক্ষনিয় দিক হ’লো ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা ক্রমাগত ৭ (সাত) দিন ব্যাংক স্থিতির সম্ভবনা থাকলে উপরোল্লিখিত উপায়ে প্রধান কার্যালয়ের প্রধান ব্যাংক হিসেবে পাঠাতে হবে।

(ঙ) নীতিমালার সুবিধা

(১) অতিরিক্ত অর্থ ব্যাংকে অলস অবস্থায় পড়ে থাকবে না।

(২) আর্থিক ঝুঁকি কম হবে।

(৩) সংস্থার সকল শাখায় একই নিয়মে আর্থিক কার্যক্রম  পরিচালিত হবে।

উপসংহার: এই নীতিমালা সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসুচীর সকল শাখায় কার্যকর হবে। কর্মসুচীর সাথে অন্তর্ভূক্ত সকল কর্মকর্তা কর্মচারী এই নীতিমালা অনুসরন করে হিসাব পরিচালনা করবে।

📜 সঞ্চয় নীতিমালা

সঞ্চয় ব্যবস্থাপনা নীতিমালা

ভুমিকা: আয় থেকে ব্যয় বাদ দিয়ে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে সঞ্চয় বলে। সঞ্চয়ের এই সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত এবং সর্বজন বিদিত। দরিদ্র মানুষের জন্য সঞ্চয়ের সংজ্ঞা অন্যভাবে উপস্থাপন করা হয়। যে পরিবারে টান পোড়ন লেগেই থাকে। মৌলিক চাহিদার কোন একটি অপূরন থেকে যায়। সর্বদা ব্যয় লক্ষনীয় হিসেবে দৃশ্যমান হয়। আয় ও ব্যয়ের সমিকরন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অসম ভাবে প্রতিয়মান হয়। বর্ণিত এই প্রেক্ষাপট দরিদ্রদের জন্য সঞ্চয়ের ব্যাখ্যা বিশেষ মাত্রায় উপস্থাপনার দাবী রাখে। অপরদিকে দরিদ্রের আরো নিচে যারা অবস্থান করে। একবারে শিকড় পর্যায়ে যাদের অবস্থান, মৌলিক চাহিদা থেকে যারা বঞ্চিত, গৃহহীন, পুষ্টিহীন, অনাহারি, মানবেতর জীবন যাপন কারি, সমাজ থেকে পিছিয়ে পড়া অসহায় জনগোষ্টি। এদের কে অতি দরিদ্র বলা হয়। অতি দরিদ্রের জন্য সঞ্চয়ের সংজ্ঞা আরো ভিন্ন মাত্রায় উপস্থাপন করা হয়। উপরোল্লিখিত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি অর্থনৈতিক কাঠামোর অন্তরালে সঞ্চয় তিন ধরনের এবং প্রতিটি ধরনের ব্যাখ্যা আলাদা। সাধারন, দরিদ্র এবং অতি দরিদ্র এই তিন ধরনের সঞ্চয়ের সংজ্ঞা নিম্নে বর্ণিত ভাবে প্রদত্ত হলো:
আয়-ব্যয়= সঞ্চয় (সাধারন ও সর্বজন বিদিত)।
আয়-ব্যয়ঢসঞ্চয়ী মানসিকতা= সঞ্চয় (দরিদ্র জনগোষ্টির জন্য)।
ব্যয়- হৃাসব্যয়=সঞ্চয় (অতি দরিদ্র জনগোষ্টির জন্য)।
সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা:
নিজের পূঁজি নিজের কথা শোনে, অপরের পূঁজি নিজের কথা শোনেনা। ব্যাক্যটি অতি পুরাতন ও বহুল প্রচলিত। প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য নিজের পূঁজি যথেষ্ট হলে শর্ত সাপেক্ষে ঋণ নেয়া এবং ঋণগ্রস্থ হওয়া কোনটার প্রয়োজন হয় না। ঋণ অনেক ক্ষেত্রে নিজের স্বাধীনতা নষ্ট করে এবং সিদ্ধান্ত নিতে বাধা গ্রস্থ করে। নিয়মিত সঞ্চয় পূঁজি গঠনে সহায়তা করে। বিকল্প পূঁজি গঠনে সঞ্চয়ের ভুমিকা অপরিসীম। বিকল্প পূঁজি গঠন হলে নিজস্ব তহবিলে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব। প্রকল্পে নিজস্ব পূঁজি বিনিয়োগ করতে পারলে পরিকল্পিত ভাবে নিজের সিদ্ধান্তের প্রতিফলন ঘটানো যায়। ফলে বাস্তবায়িত প্রকল্পের প্রত্যাশিত ফলাফল মুনাফা ভিত্তিক হিসেবে অনেকটা নিশ্চিত হওয়া যায়। নিজস্ব পূঁজি গঠনে সঞ্চয়ের বিকল্প নেই। সুতরাং পার্থিব জীবনে সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য সঞ্চয়ের প্রয়োজন অত্যাবশকীয়।
সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচী:
সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচী সম্পূর্ন পৃথক সত্ত্বা। তবে সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণ এক সাথে বাস্তবায়ন করা আবশ্যিক। যেহেতু একইসাথে সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণ বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে সেহেতু একটি সত্ত্বা ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচী উপস্থাপন অসম্পূর্নতা থেকে যায়। সঞ্চয় ও ক্ষুদ্রঋণ দুটি পৃথক সত্ত্বা হলেও কর্মসূচী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দু’টি সত্ত্বা কে একটি ব্যবস্থাপনার বলয়ে আবর্তিত করা হয়। সবকিছু বিবেচনায় এনে শুধুমাত্র ক্ষুদ্রঋণ উপস্থাপনার পরিবর্তে মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচী নাম করন করা হয়। ক্ষুদ্রঋণ যেমন সমিতি ভুক্ত সদস্যের দারিদ্র বিমোচনে ভুমিকা রাখে তেমনি ভাবে নিয়মিত সঞ্চয় ঋণ গ্রহিতার বিকল্প পূঁজি গঠনে সহায়তা করে।
সঞ্চয়ের ধরণ:
সংস্থায় দুই ধরনের সঞ্চয়ের ক্ষেত্র রয়েছে। একটি ক্ষেত্র হলো সাধারন সঞ্চয় এবং অপরটি হ’লো বিশেষ সঞ্চয়। সাধারন সঞ্চয় সদস্যের একটি নিয়মিত সঞ্চয় ভিত্তিক খাত। অপরদিকে বিশেষ সঞ্চয় সদস্যের ইচ্ছা ও আগ্রহ ভিত্তিক। সাধারন সঞ্চয় অনেকাংশে বাধ্যতামূলক। ঋণের সাথে সাধারন সঞ্চয়ের অনুপাত ভিত্তিক পরিমাপ রয়েছে। বিশেষ সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে উদ্বুদ্ধ করন ছাড়া অনুপাত বিশ্লেষন ব্যতিরেকে সাধারন ভাবে হিসাব সংরক্ষনের আওতায় আনা হয়। তবে সদস্যের জন্য উভয় খাতের মৌলিক উদ্দেশ্য একই। তা হলো উভয় খাত সদস্যের পূঁজি গঠনে সহায়তা করে।
ক) সাধারন সঞ্চয়:
সদস্য প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত ভাবে সাপ্তাহিক সভায় সঞ্চয় প্রদান করবে।
সাপ্তাহিক সঞ্চয় হবে নূন্যতম ৫০/- (পঞ্চাশ) টাকা।
সদস্য ইচ্ছা করলে ৫০/- টাকার উর্দ্ধে সাপ্তাহিক সভায় সঞ্চয় জমা করতে পারবে।
অগ্রসর ঋণের ক্ষেত্রে সপ্তাহে ১০০/- (একশত) টাকা সঞ্চয় জমা করতে হবে।
বুনিয়াদ ও জাগরন কম্পুনেন্টের বিপরীতে সাপ্তাহিক সঞ্চয় নূন্যতম ৫০/- (পঞ্চাশ) টাকা।
সকল কম্পুনেন্টের ক্ষেত্রে নূন্যতম ১০% সঞ্চয় জমা সাপেক্ষে সদস্য ঋণ নিতে পারবে।
সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৬% সঞ্চয়ের সুদ প্রদান করতে হবে।
সঞ্চয়ের সুদ বছরে দু’বার জুন ও ডিসেম্বর মাসে সদস্যের ব্যক্তিগত পাশবইয়ে এন্ট্রি দিতে হবে।
সঞ্চয়ের সুদের সূত্র: মাসের প্রথম ব্যালেন্স + মাসের শেষ ব্যালেন্স ভাগ ২ঢসুদের হার=সুদ।
প্রতিমাসে সঞ্চয়ের সুদ প্রভিশন করতে হবে।
সদস্য যে কোন সময় সদস্য পদ প্রত্যাহার করে নিলে আবেদিত সময় পর্যন্ত সঞ্চয়ের সুদ দিতে হবে।
সদস্যের ব্যক্তিগত পাশবই কলামে সঞ্চয় নিয়মিত এন্ট্রি দিতে হবে।
দৈনিক আদায় বিবরনী তথ্যসীটে সাপ্তাহিক কলামে সঞ্চয় এন্ট্রি দিতে হবে।
দৈনিক আদায় রেজিষ্টারে সঞ্চয় কলামে সাপ্তাহিক সঞ্চয় জমা করতে হবে।
সমিতিতে সর্Ÿোচ্চ ১,২৫০/- (এক হাজার দুই শত পঞ্চাশ) টাকা সঞ্চয় ফেরত দেয়া যাবে।
১,২৫০/- (এক হাজার দুই শত পঞ্চাশ) টাকার উর্দ্ধে সঞ্চয় উত্তোলনের পরিকল্পনা থাকলে শাখা হতে সঞ্চয় উত্তোলন করতে হবে।
সঞ্চয় উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রেসক্রাইব ফরমেটে মাষ্টার রোল ব্যবহার করতে হবে।
সঞ্চয় উত্তোলন সদস্যের ব্যক্তিগত পাশবইয়ে এন্ট্রি দিতে হবে।
সঞ্চয় ফেরত রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
২০) ঋণী সদস্য ঋণগ্রস্থ থাকা অবস্থায় সঞ্চয় উত্তোলন করতে পারবে না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
২১) সঞ্চয়ের ১০% বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসিল ভুক্ত যে কোন ব্যাংকে বিনিয়োগ করতে হবে।

খ) বিশেষ সঞ্চয়: বিশেষ সঞ্চয় সাধারন সঞ্চয়ের অংশ বিশেষ। বিশেষ সঞ্চয়ের মৌলিক উদ্দেশ্য হলো সদস্যের নিজস্ব পূঁজি সৃষ্টি। সাধারন সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যের সাথে বিশেষ সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যের মিল রয়েছে। সদস্যদের অতি আগ্রহের জন্য বিশেষ সঞ্চয়ের খাত খোলা হয়েছে। অধিকাংশ সদস্য নিয়ত প্রত্যাশা করে তাদের আমানত ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে এমন এক পর্যায়ে উপনিত হোক যাতে করে ঋণ না নিয়ে নিজস্ব পূঁজিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে। সেক্ষেত্রে সাধারন সঞ্চয় সাংসারিক নানান প্রয়োজনে উত্তোলন না করার পক্ষে। অপর দিকে বিশেষ সঞ্চয় যে কোন প্রয়োজনে বিনা বাধায় খুব সহজে যেন উত্তোলন করা যায়। বিশেষ করে দলীয় সদস্যদের সমষ্টিগত প্রস্তাবে বিশেষ সঞ্চয় খাত চালু করা হয়েছে। বিশেষ সঞ্চয়ের নীতিমালা সম্বলিত ব্যবস্থাপনা নি¤œরুপ ঃ
সাপ্তাহিক সভার যে কোন সপ্তাহে (মাসের মধ্যে) সাপ্তাহিক সভা চলাকালিন সময়ে নূন্যতম ১০০/- (একশত) টাকা জমা করতে হবে।
একশত টাকার উর্দ্ধে জমা দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে ১০০/২০০/৩০০ প্রভৃতি ভাবে দেয়া যাবে। তবে ১৫০/২৫০ এই ভাবে জমা দেয়া যাবে না।
বিশেষ সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে পৃথক পাশবই ব্যবহৃত হবে।
দৈনিক আদায় তথ্য বিবরনী সীট, দৈনিক আদায় রেজিষ্টার, ভাউচার, নগদান বহি ও খতিয়ান প্রভৃতি দলিলে বিশেষ সঞ্চয়ের পৃথক কলাম থাকবে।
বিশেষ সঞ্চয় প্রয়োজনে বারবার উত্তোলন করা যাবে।
বিশেষ সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে ৮% সুদ প্রযোজ্য হবে। প্রতি মাসে সুদ প্রভিশন করা এবং বছরে দু’বার জুন ও ডিসেম্বর মাসে সুদ পাশ বইয়ে এন্ট্রি দেয়া হবে।
সঞ্চয়ের ১০% ব্যাংকে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উভয় সঞ্চয়ের স্থিতির যোগফলের ক্যালকুলেশন প্রযোজ্য হবে।

উপসংহার: সাধারন ও বিশেষ সঞ্চয় সদস্যের আমানত হিসেবে সংস্থা সংরক্ষন করে। আর্থিক প্রতিবেদনে দায় কলামে হিসাব ভুক্ত রয়েছে। সঞ্চয় সদস্যের আমানত হওয়ায় এর হিসাব ব্যবস্থাপনা প্রচ্ছন্ন ভাবে প্রকাশিত থাকে। সঞ্চয় সংস্থার দায় হলেও এটি এক ধরনের তহবিল। সংগত কারনে সঞ্চয় ঘূর্নায়মান তহবিলের আওতায় আবর্তিত হয়। সদস্যের নূন্যতম প্রয়োজনে সঞ্চয় ফেরতের ধারা সংস্থা সর্বদা উম্মুক্ত রাখে। যে কোন অনাহত ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য সঞ্চয়ের বিনিয়োগ ব্যাংকে নিশ্চিত থাকে। এমআরএ এর বিধি-বিধান এবং ফাউ-েশনের দিক নির্দেশনা প্রভৃতি অনুসরনে সংস্থা সঞ্চয় ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করে থাকে।